রমজানের ২৭ টি আমল
১. চাঁদ দেখা। শাবান মাসের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় মাগরিবের আগে পশ্চিম আকাশে চাঁদ অনুসন্ধান করা।
২. রোজা রাখা।
৩. তারাবির নামাজ আদায় করা।
৪. সেহরি খাওয়া।
৫. শেষ সময়ে সেহরি খাওয়া। আযানের কমপক্ষে পাঁচ থেকে দশ মিনিট আগে।
৬. ইফতার করা।
৭. তাড়াতাড়ি ইফতার করা। ইফতার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা, বিলম্ব না করা।
৮. ইফতার করার পর ইফতারের দোয়া পড়া। (যাহাবায-যামাউ ওয়াবতাল্লাতিল ‘উরূকু ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশা-আল্লা-হু)
৯. সেহরি এবং ইফতারে খেজুর খাওয়া।
১০. সকল গোনাহ বর্জন করা।
১১. বেশি বেশি দোয়া করা।
১২. মিথ্যা কথা ও মিথ্যা কাজ পরিহার করা।
১৩. অশ্লীলতা ও ঝগড়াবিবাদ পরিহার করা।
১৪. যেকোনো ভালো কাজ বেশি বেশি করা।
১৫. বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া অর্থাৎ আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
১৬. রোজাদারকে ইফতার করানো।
১৭. বেশি বেশি পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করা।
১৮. পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত শোনা, অর্থাৎ একজনের তিলাওয়াত অন্যজনে শোনা।
১৯. বেশি বেশি দান-সদকা করা।
২০. তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া ও দোয়া করা।
২১. যাদের তৌফিক আছে উমরাহ করা।
২২. রমজানের শেষ দশক মসজিদে ইতেকাফ করা।
২৩. রমজানের শেষ দশকে ইবাদতের মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া।
২৪. রমজানের শেষ দশকে পরিবারের সদস্যদের ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলা ইবাদত করার জন্য এবং স্ত্রী সঙ্গ ত্যাগ করা।
২৫. লাইলাতুলকদর অনুসন্ধান করা বিশেষকরে রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাত্রিতে।
২৬. রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুলকদরের বিশেষ দোয়া পাঠ করা। (আল্লা-হুম্মা, ইন্নাকা ‘আফুওউন্ তুহিব্বুল ‘আফ্ওয়া ফা‘অ্ফু ‘আন্নী)
২৭. ফিৎরা আদায় করা। ঈদের নামাজের আগ পর্যন্ত ফিৎরা আদায় করা।
Shaikh Ahmadullah

